</div>
Page 2/10
কাপড় সরানোর পর তারা কিশোরী ঈশানির দেহ দেখতে পেলেন। রূপম তার বিশেষ ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে চারপাশের ছবি তুলছিল। 'এই নীল জিনিসটা কী, আয়ন বাবু?' সে জিজ্ঞেস করল। আয়ন বাবু নীল পুঁতিটা তুলে ধরলেন। 'এটা কোনো সাধারণ প্লাস্টিক নয়, রূপম। এর মধ্যে এক ধরণের বিশেষ রঞ্জকের গন্ধ আছে। খুব দামী, পরীক্ষাগারে ব্যবহার হয় এমন কিছু।'
Page 3/10
পরের দিন, তারা ঈশানির বাড়ি গেলেন। ঘরটা সাজানো, কিন্তু তার টেবিলের ওপর রাখা ল্যাপটপটি বন্ধ। তার ডায়েরিতে লেখা, 'আমি জানি না কী হচ্ছে। তিনি আমাকে ভয় দেখাচ্ছেন। সাংকেতিক শব্দ: SACDEZ'। রূপম ডায়েরির পাতাটার ছবি তুলল। 'SACDEZ? এটা একটা পাসওয়ার্ড হতে পারে, কিন্তু কার?'
Page 4/10
আয়ন বাবু ঈশানির স্কুল ব্যাগ ঘেঁটে একটি কেমিস্ট্রির ক্লাসের নোট পেলেন। তাতে লেখা ছিল, 'টিউটর: তুশার স্যার, মলিকিউলার বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাব'। রঞ্জকের কথা মনে পড়ল আয়ন বাবুর। 'রূপম, ল্যাবরেটরির কেমিস্ট্রি আর এই নীল রঞ্জক—এবার যোগসূত্রটা পাচ্ছি। চলো, তুশারকে খুঁজে বের করি।'
Page 5/10
শহরের একটি টেক কোম্পানির অফিস বিল্ডিংয়ে তারা তুশার সেনের ল্যাবের খোঁজ পেলেন। সে তার ডেস্কে বসে ছিল, হাতে মুখ ঢেকে। সে ভীষণ নার্ভাস। 'ঈশানির সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কী ছিল, তুশার বাবু?' আয়ন বাবুর শান্ত প্রশ্নে তুশার আরও গুটিয়ে গেল।
Page 6/10
আয়ন বাবু তার ডেস্কে থাকা একটি ছোট প্লাস্টিকের থলি তুলে নিলেন। থলিতে সেই একই নীল রঞ্জক। 'এই রঞ্জক আপনার ল্যাবের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। আপনি কি ঈশানিকে হুমকি দেওয়ার জন্য এই রঞ্জক ব্যবহার করেছিলেন?' আয়ন বাবুর চোখে সরাসরি চোখ রাখতে পারল না তুশার।
Page 7/10
রূপম তখন তুশারের পাশে দাঁড়িয়ে তার ট্যাবলেটটি দেখাল। তাতে ঈশানির ডায়েরিতে পাওয়া সাংকেতিক শব্দটি জ্বলজ্বল করছে—'SACDEZ'। 'এটা কি আপনার পাসওয়ার্ড ছিল, তুশার বাবু? আমরা জানি এটা কার ল্যাপটপ খোলে!'
Page 8/10
তুশার মাথা নাড়াল। 'আমি শুধু ভয় দেখাতে চেয়েছিলাম! সে আমার ল্যাবের একটা ফাইল ভুল করে ডাউনলোড করে ফেলেছিল। সে সেটা ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিল, তাই আমি তাকে নদীর পাড়ে আসতে বলেছিলাম। এই রঞ্জকটা একটা নিশানা ছিল!' রূপম ঈশানির ল্যাপটপটি দ্রুত খুলে ফেলল। শেষ মুহূর্তে ঈশানির রেকর্ড করা একটি ছোট ভিডিও তাদের সামনে ভেসে উঠল।
Page 9/10
ভিডিওতে ঈশানি ফুঁপিয়ে কেঁদে বলল, 'তুশার স্যার আমাকে হুমকি দিয়েছেন। আমি ফাইলটা ডিলিট করতে পারিনি, তাই তিনি আমাকে ধাক্কা দেন। আমি আর সাঁতার জানি না...'। তুশার চিৎকার করে উঠল, 'আমি শুধু ধাক্কা দিয়েছিলাম! আমি মারতে চাইনি!' আয়ন বাবু দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। 'জ্ঞান চুরি করা যেমন অপরাধ, তেমনই অন্যের জীবন কেড়ে নেওয়াও অপরাধ, তুশার বাবু।'
Page 10/10
পুলিশ তুশারকে গ্রেফতার করল। আয়ন বাবু ও রূপম অফিস থেকে বের হয়ে এলেন। রূপম বলল, 'একটি নীল পুঁতি আর একটা পাসওয়ার্ড—ছোট ছোট জিনিসই শেষ পর্যন্ত রহস্যের সমাধান করল।' আয়ন বাবু হাসলেন। 'সত্যি সবসময়েই ছোট ছোট তথ্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকে, রূপম। আমাদের কাজ শুধু ধৈর্য ধরে সেগুলোকে খুঁজে বের করা। চলো, এবার একটা কফি হয়ে যাক!'
Start again
Friday, October 3, 2025
আয়ন বাবু এবং রূপমের সাঁড়াশি অভিযান: কিশোরী খুন
আয়ন বাবু এবং রূপমের সাঁড়াশি অভিযান: কিশোরী খুন
By MD babu Hossan BAHADUR
Page 1/10
সূর্য সবে ডুবেছে। হুগলী নদীর পাড়ে একটা সাদা কাপড়ের টুকরো দেখে থমকে গেলেন আয়ন বাবু। তাঁর পাশে রূপম। একজন পুলিশ কনস্টেবল বলল, 'স্যার, কাপড়টা সরালেই...'। আয়ন বাবুর তীক্ষ্ণ চোখ প্রথমে দেখল কাপড়ের ঠিক পাশে কাদায় একটা খুব ছোট, নীলচে পুঁতির মতো কিছু পড়ে আছে।
</div>
Page 2/10
কাপড় সরানোর পর তারা কিশোরী ঈশানির দেহ দেখতে পেলেন। রূপম তার বিশেষ ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে চারপাশের ছবি তুলছিল। 'এই নীল জিনিসটা কী, আয়ন বাবু?' সে জিজ্ঞেস করল। আয়ন বাবু নীল পুঁতিটা তুলে ধরলেন। 'এটা কোনো সাধারণ প্লাস্টিক নয়, রূপম। এর মধ্যে এক ধরণের বিশেষ রঞ্জকের গন্ধ আছে। খুব দামী, পরীক্ষাগারে ব্যবহার হয় এমন কিছু।'
Page 3/10
পরের দিন, তারা ঈশানির বাড়ি গেলেন। ঘরটা সাজানো, কিন্তু তার টেবিলের ওপর রাখা ল্যাপটপটি বন্ধ। তার ডায়েরিতে লেখা, 'আমি জানি না কী হচ্ছে। তিনি আমাকে ভয় দেখাচ্ছেন। সাংকেতিক শব্দ: SACDEZ'। রূপম ডায়েরির পাতাটার ছবি তুলল। 'SACDEZ? এটা একটা পাসওয়ার্ড হতে পারে, কিন্তু কার?'
Page 4/10
আয়ন বাবু ঈশানির স্কুল ব্যাগ ঘেঁটে একটি কেমিস্ট্রির ক্লাসের নোট পেলেন। তাতে লেখা ছিল, 'টিউটর: তুশার স্যার, মলিকিউলার বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাব'। রঞ্জকের কথা মনে পড়ল আয়ন বাবুর। 'রূপম, ল্যাবরেটরির কেমিস্ট্রি আর এই নীল রঞ্জক—এবার যোগসূত্রটা পাচ্ছি। চলো, তুশারকে খুঁজে বের করি।'
Page 5/10
শহরের একটি টেক কোম্পানির অফিস বিল্ডিংয়ে তারা তুশার সেনের ল্যাবের খোঁজ পেলেন। সে তার ডেস্কে বসে ছিল, হাতে মুখ ঢেকে। সে ভীষণ নার্ভাস। 'ঈশানির সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কী ছিল, তুশার বাবু?' আয়ন বাবুর শান্ত প্রশ্নে তুশার আরও গুটিয়ে গেল।
Page 6/10
আয়ন বাবু তার ডেস্কে থাকা একটি ছোট প্লাস্টিকের থলি তুলে নিলেন। থলিতে সেই একই নীল রঞ্জক। 'এই রঞ্জক আপনার ল্যাবের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। আপনি কি ঈশানিকে হুমকি দেওয়ার জন্য এই রঞ্জক ব্যবহার করেছিলেন?' আয়ন বাবুর চোখে সরাসরি চোখ রাখতে পারল না তুশার।
Page 7/10
রূপম তখন তুশারের পাশে দাঁড়িয়ে তার ট্যাবলেটটি দেখাল। তাতে ঈশানির ডায়েরিতে পাওয়া সাংকেতিক শব্দটি জ্বলজ্বল করছে—'SACDEZ'। 'এটা কি আপনার পাসওয়ার্ড ছিল, তুশার বাবু? আমরা জানি এটা কার ল্যাপটপ খোলে!'
Page 8/10
তুশার মাথা নাড়াল। 'আমি শুধু ভয় দেখাতে চেয়েছিলাম! সে আমার ল্যাবের একটা ফাইল ভুল করে ডাউনলোড করে ফেলেছিল। সে সেটা ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিল, তাই আমি তাকে নদীর পাড়ে আসতে বলেছিলাম। এই রঞ্জকটা একটা নিশানা ছিল!' রূপম ঈশানির ল্যাপটপটি দ্রুত খুলে ফেলল। শেষ মুহূর্তে ঈশানির রেকর্ড করা একটি ছোট ভিডিও তাদের সামনে ভেসে উঠল।
Page 9/10
ভিডিওতে ঈশানি ফুঁপিয়ে কেঁদে বলল, 'তুশার স্যার আমাকে হুমকি দিয়েছেন। আমি ফাইলটা ডিলিট করতে পারিনি, তাই তিনি আমাকে ধাক্কা দেন। আমি আর সাঁতার জানি না...'। তুশার চিৎকার করে উঠল, 'আমি শুধু ধাক্কা দিয়েছিলাম! আমি মারতে চাইনি!' আয়ন বাবু দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। 'জ্ঞান চুরি করা যেমন অপরাধ, তেমনই অন্যের জীবন কেড়ে নেওয়াও অপরাধ, তুশার বাবু।'
Page 10/10
পুলিশ তুশারকে গ্রেফতার করল। আয়ন বাবু ও রূপম অফিস থেকে বের হয়ে এলেন। রূপম বলল, 'একটি নীল পুঁতি আর একটা পাসওয়ার্ড—ছোট ছোট জিনিসই শেষ পর্যন্ত রহস্যের সমাধান করল।' আয়ন বাবু হাসলেন। 'সত্যি সবসময়েই ছোট ছোট তথ্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকে, রূপম। আমাদের কাজ শুধু ধৈর্য ধরে সেগুলোকে খুঁজে বের করা। চলো, এবার একটা কফি হয়ে যাক!'
Start again
</div>
Page 2/10
কাপড় সরানোর পর তারা কিশোরী ঈশানির দেহ দেখতে পেলেন। রূপম তার বিশেষ ডিজিটাল ক্যামেরা দিয়ে চারপাশের ছবি তুলছিল। 'এই নীল জিনিসটা কী, আয়ন বাবু?' সে জিজ্ঞেস করল। আয়ন বাবু নীল পুঁতিটা তুলে ধরলেন। 'এটা কোনো সাধারণ প্লাস্টিক নয়, রূপম। এর মধ্যে এক ধরণের বিশেষ রঞ্জকের গন্ধ আছে। খুব দামী, পরীক্ষাগারে ব্যবহার হয় এমন কিছু।'
Page 3/10
পরের দিন, তারা ঈশানির বাড়ি গেলেন। ঘরটা সাজানো, কিন্তু তার টেবিলের ওপর রাখা ল্যাপটপটি বন্ধ। তার ডায়েরিতে লেখা, 'আমি জানি না কী হচ্ছে। তিনি আমাকে ভয় দেখাচ্ছেন। সাংকেতিক শব্দ: SACDEZ'। রূপম ডায়েরির পাতাটার ছবি তুলল। 'SACDEZ? এটা একটা পাসওয়ার্ড হতে পারে, কিন্তু কার?'
Page 4/10
আয়ন বাবু ঈশানির স্কুল ব্যাগ ঘেঁটে একটি কেমিস্ট্রির ক্লাসের নোট পেলেন। তাতে লেখা ছিল, 'টিউটর: তুশার স্যার, মলিকিউলার বায়োকেমিস্ট্রি ল্যাব'। রঞ্জকের কথা মনে পড়ল আয়ন বাবুর। 'রূপম, ল্যাবরেটরির কেমিস্ট্রি আর এই নীল রঞ্জক—এবার যোগসূত্রটা পাচ্ছি। চলো, তুশারকে খুঁজে বের করি।'
Page 5/10
শহরের একটি টেক কোম্পানির অফিস বিল্ডিংয়ে তারা তুশার সেনের ল্যাবের খোঁজ পেলেন। সে তার ডেস্কে বসে ছিল, হাতে মুখ ঢেকে। সে ভীষণ নার্ভাস। 'ঈশানির সঙ্গে আপনার সম্পর্ক কী ছিল, তুশার বাবু?' আয়ন বাবুর শান্ত প্রশ্নে তুশার আরও গুটিয়ে গেল।
Page 6/10
আয়ন বাবু তার ডেস্কে থাকা একটি ছোট প্লাস্টিকের থলি তুলে নিলেন। থলিতে সেই একই নীল রঞ্জক। 'এই রঞ্জক আপনার ল্যাবের জন্য খুবই প্রয়োজনীয়। আপনি কি ঈশানিকে হুমকি দেওয়ার জন্য এই রঞ্জক ব্যবহার করেছিলেন?' আয়ন বাবুর চোখে সরাসরি চোখ রাখতে পারল না তুশার।
Page 7/10
রূপম তখন তুশারের পাশে দাঁড়িয়ে তার ট্যাবলেটটি দেখাল। তাতে ঈশানির ডায়েরিতে পাওয়া সাংকেতিক শব্দটি জ্বলজ্বল করছে—'SACDEZ'। 'এটা কি আপনার পাসওয়ার্ড ছিল, তুশার বাবু? আমরা জানি এটা কার ল্যাপটপ খোলে!'
Page 8/10
তুশার মাথা নাড়াল। 'আমি শুধু ভয় দেখাতে চেয়েছিলাম! সে আমার ল্যাবের একটা ফাইল ভুল করে ডাউনলোড করে ফেলেছিল। সে সেটা ফিরিয়ে দিতে চেয়েছিল, তাই আমি তাকে নদীর পাড়ে আসতে বলেছিলাম। এই রঞ্জকটা একটা নিশানা ছিল!' রূপম ঈশানির ল্যাপটপটি দ্রুত খুলে ফেলল। শেষ মুহূর্তে ঈশানির রেকর্ড করা একটি ছোট ভিডিও তাদের সামনে ভেসে উঠল।
Page 9/10
ভিডিওতে ঈশানি ফুঁপিয়ে কেঁদে বলল, 'তুশার স্যার আমাকে হুমকি দিয়েছেন। আমি ফাইলটা ডিলিট করতে পারিনি, তাই তিনি আমাকে ধাক্কা দেন। আমি আর সাঁতার জানি না...'। তুশার চিৎকার করে উঠল, 'আমি শুধু ধাক্কা দিয়েছিলাম! আমি মারতে চাইনি!' আয়ন বাবু দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। 'জ্ঞান চুরি করা যেমন অপরাধ, তেমনই অন্যের জীবন কেড়ে নেওয়াও অপরাধ, তুশার বাবু।'
Page 10/10
পুলিশ তুশারকে গ্রেফতার করল। আয়ন বাবু ও রূপম অফিস থেকে বের হয়ে এলেন। রূপম বলল, 'একটি নীল পুঁতি আর একটা পাসওয়ার্ড—ছোট ছোট জিনিসই শেষ পর্যন্ত রহস্যের সমাধান করল।' আয়ন বাবু হাসলেন। 'সত্যি সবসময়েই ছোট ছোট তথ্যের আড়ালে লুকিয়ে থাকে, রূপম। আমাদের কাজ শুধু ধৈর্য ধরে সেগুলোকে খুঁজে বের করা। চলো, এবার একটা কফি হয়ে যাক!'
Start again
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
إيران تعلن مسؤوليتها عن الهجوم على البحرين، وتزعم تدمير قاعدة أمريكية
إيران تعلن مسؤوليتها عن الهجوم على البحرين وتزعم تدمير قاعدة أمريكية زعمت إيران تدمير قاعدة جوية أمريكية في البحرين. وقد ورد هذا الخبر في ...
-
🔸 গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণে ইসরাইলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপের আহ্বান 📝 সাবহেডলাইন 🔸 কাতার-মিশরের প্রস্তাবিত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরত...
-
মোটু আর পাতলু দুজনেই খুব ক্ষুধার্ত। মোটু তার পেটে হাত দিয়ে বলল, "পাতলু, আমার পেটটা সিঙাড়ার জন্য খালি খালি লাগছে।" পাতলু বলল, ...
-
🔸 রাখাইনে তুমুল সংঘর্ষ: আরাকান আর্মির হামলায় আহত ৫০ জান্তা সেনা, খাদ্য সংকটে মানবিক বিপর্যয় সাবহেডলাইন 🔸 কিয়াউকফিউতে আরাকান আর্মির তী...










No comments:
Post a Comment