Monday, October 6, 2025
প্রাচীন পুঁথির গুপ্তধন By. Bahadur
প্রাচীন পুঁথির গুপ্তধন
By. Bahadur
Page 1 / 10
হুগলী নদীর ধারে ভোরের আলো সবে ফুটেছে। কলকাতা শহরের ব্যস্ততা তখনও শুরু হয়নি। কিন্তু সেখানে অন্য এক নীরবতা। একজন বিখ্যাত ইতিহাসবিদ, ড. মিত্র, রহস্যজনকভাবে মৃত। সিআইডি অফিসার আয়ন চক্রবর্তী গভীর মনোযোগে জলের দিকে দেখছেন, তাঁর সহকারী রূপম সেন নিথর দেহটি কাপড়ে ঢেকে দিচ্ছেন।
Page 2 / 10
ড. মিত্রেড. মিত্রেরর দেহ ঢাকা হয়ে যাওয়ার পর আয়ন বাবু পাড়ের কাদামাটিতে কিছু একটা লক্ষ্য করলেন। ছোট, ভাঙা একটি পোড়ামাটির টুকরো। শত শত বছরের পুরোনো মনে হচ্ছে। সেটির ওপর অদ্ভুত, অচেনা একটি লিপি আবছা হয়ে আছে। আয়ন বাবু টুকরোটি সাবধানে তুলে নিলেন।
Page 3 / 10
সিআইডি অফিসে ফিরে আয়ন বাবু টুকরোটির লিপি নিয়ে গবেষণা শুরু করলেন। পুরনো বইয়ের পর বই ঘাঁটতে ঘাঁটতে এক সময় তিনি চোখ তুলে দেখলেন, লিপিটি আসলে পাল সাম্রাজ্যের সময়কার গুপ্ত ‘হরপাল সংহিতা’ বা পুঁথির একটি চিহ্ন। এই সংহিতা বহু বছর আগে হারিয়ে গেছে বলে মনে করা হত।
Page 4 / 10
এদিকে রূপম সেন ড. মিত্রের শেষ যোগাযোগের তথ্য ঘেঁটে দেখছিলেন। একটি এনক্রিপ্টেড (গুপ্ত) ফাইল! ফাইলটি এক তরুণ ডেটা অ্যানালিস্টের কাছে পাঠানো হয়েছিল ডিকোড করার জন্য। রূপম বুঝতে পারলেন, খুনের সঙ্গে এই ফাইলের গভীর সম্পর্ক আছে।
Page 5 / 10
দ্রুত তারা সেই ডেটা অ্যানালিস্ট কৌশিক নন্দীকে খুঁজে বের করলেন এবং জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করলেন। অফিসের মতো একটি জায়গায় চেয়ারে বসে থাকা কৌশিক ভয়ে কাঁপছিল, হাত দিয়ে মুখ চেপে ধরেছিল সে। সে বলল, “আমি শুধু একটি কোড ডিকোড করছিলাম, খুনের ব্যাপারে কিছুই জানি না!”
Page 6 / 10
আয়ন বাবু শান্ত স্বরে কৌশিককে চাপ দিলেন। রূপম তার হাতে ধরা ট্যাবলেটটি দেখালেন—সেখানে লেখা 'SACDEZ'। অন্য হাতে একটি নীলচে গুঁড়ো ভর্তি ছোট ব্যাগ। রূপম বললেন, “এই কোড আর নীল গুঁড়ো কীসের, কৌশিক? সত্যিটা বলো।” কৌশিক ভয়ে ভয়ে জানাল, নীল গুঁড়োটি হলো প্রাচীন পুঁথি লেখার কাজে ব্যবহৃত দুর্লভ একটি রঞ্জক। আর 'SACDEZ' সেই ফাইলের ডিক্রিপশন (গুপ্ত ভাঙার) সংকেত।
Page 7 / 10
আয়ন বাবু এবার দুটি সূত্রকে জুড়লেন। ড. মিত্রকে হত্যা করা হয়েছে পোড়ামাটির টুকরোর জন্য নয়, বরং টুকরোর মধ্যে লুকিয়ে থাকা সংকেতটির জন্য, যা ড. মিত্র কেবল আবিষ্কার করেছিলেন। সংহিতার সেই সংকেত ছিল একটি মানচিত্রের গোপন চাবি। ‘হরপাল সংহিতা’ শুধু একটি বই নয়, এটি ছিল পাল রাজাদের হারিয়ে যাওয়া ধনভাণ্ডারের গুপ্তকথা!
Page 8 / 10
রূপম সেন সেই 'SACDEZ' সংকেত ব্যবহার করে ড. মিত্রের হার্ড ড্রাইভ থেকে ফাইলটি ডিক্রিপ্ট করলেন। স্ক্রিনে ভেসে উঠল একটি মানচিত্র—কিন্তু সেটি সাধারণ মানচিত্র নয়, প্রাচীন একটি নক্ষত্র-মানচিত্র, যার মধ্যে লুকিয়ে আছে রাস্তার ইঙ্গিত!
Page 9 / 10
আয়ন বাবু নক্ষত্র-মানচিত্রটি দেখে বললেন, “এই নক্ষত্র বিন্যাসটি হরপাল সংহিতার সময়ের একটি নির্দিষ্ট তিথির। আর এই বিন্দুটি হুগলী নদীর ঠিক সেই পাড়, যেখানে ড. মিত্রের দেহ পাওয়া গিয়েছিল! মানচিত্রটি একটি গোপন পথের সন্ধান দিচ্ছে।”
Page 10 / 10
সেই রাতে, আয়ন ও রূপম সেই নদী পাড়ে ফিরে এলেন। নক্ষত্র-মানচিত্রের নির্দেশনা অনুসরণ করে তারা একটি পুরোনো, শ্যাওলা-ধরা পাথরের কাছে পৌঁছালেন। আয়ন বাবু পাথরটি সরাতেই দেখতে পেলেন মাটির নিচে নামার একটি গোপন পথ। প্রাচীন ইতিহাস আর রোমাঞ্চকর অ্যাডভেঞ্চারের দরজা তাদের সামনে খোলা।
Start over
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
إيران تعلن مسؤوليتها عن الهجوم على البحرين، وتزعم تدمير قاعدة أمريكية
إيران تعلن مسؤوليتها عن الهجوم على البحرين وتزعم تدمير قاعدة أمريكية زعمت إيران تدمير قاعدة جوية أمريكية في البحرين. وقد ورد هذا الخبر في ...
-
🔸 গাজায় যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণে ইসরাইলের ওপর আন্তর্জাতিক চাপের আহ্বান 📝 সাবহেডলাইন 🔸 কাতার-মিশরের প্রস্তাবিত ৬০ দিনের যুদ্ধবিরত...
-
মোটু আর পাতলু দুজনেই খুব ক্ষুধার্ত। মোটু তার পেটে হাত দিয়ে বলল, "পাতলু, আমার পেটটা সিঙাড়ার জন্য খালি খালি লাগছে।" পাতলু বলল, ...
-
🔸 রাখাইনে তুমুল সংঘর্ষ: আরাকান আর্মির হামলায় আহত ৫০ জান্তা সেনা, খাদ্য সংকটে মানবিক বিপর্যয় সাবহেডলাইন 🔸 কিয়াউকফিউতে আরাকান আর্মির তী...











No comments:
Post a Comment