Friday, February 6, 2026

এপস্টেইন বিতর্কে চাপের মুখে স্টারমার, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা

এপস্টেইন বিতর্কে চাপের মুখে স্টারমার, রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ঘিরে “এপস্টেইন বিতর্কে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার ঝুঁকি”– এ ধরনের দাবি কিছু প্রতিবেদনে উঠলেও বিষয়টি এখনো নিশ্চিত বা চূড়ান্ত নয়। তবে সাবেক যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনের জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে যুক্তরাজ্যে বড় রাজনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে—এটা সত্য। **যা জানা যাচ্ছে (নতুন তথ্য ও যাচাই করা প্রেক্ষাপট):** * সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনের এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ ও সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের অভিযোগ নিয়ে তদন্ত চলছে। * এ ইস্যুতে ব্রিটিশ রাজনীতিতে বিতর্ক তৈরি হয়েছে এবং সরকার ও লেবার পার্টির ওপর চাপ বেড়েছে। * স্টারমারের নেতৃত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে—এমন রাজনৈতিক আলোচনা চলছে, তবে তিনি পদ হারাচ্ছেন—এমন কোনো নিশ্চিত সিদ্ধান্ত বা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নেই। **মূল বিষয়গুলো সংক্ষেপে:** * ম্যান্ডেলসনের এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নতুন করে সামনে আসায় রাজনৈতিক অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। * সরকার ও দলের ভেতরে সমালোচনা বাড়ছে। * কিন্তু স্টারমার প্রধানমন্ত্রিত্ব হারাচ্ছেন—এটি এখনো বিশ্লেষণ ও সম্ভাবনার পর্যায়ে; নিশ্চিত বাস্তবতা নয়। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগকে কেন্দ্র করে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে নতুন বিতর্ক তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনকে ঘিরে সমালোচনার জেরে প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্ব নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এপস্টেইনের সঙ্গে যোগাযোগ থাকার বিষয়টি জানা সত্ত্বেও ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় স্টারমারের সিদ্ধান্ত নিয়ে লেবার পার্টির ভেতরেই অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। নিপীড়নের শিকার নারীদের কাছে ক্ষমা চাইলেও সমালোচনার ঝড় থামছে না। বিশ্লেষকদের মতে, এপস্টেইন কাণ্ডে বিশ্বের বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম সামনে এলেও রাজনৈতিকভাবে সবচেয়ে বেশি চাপ তৈরি হয়েছে যুক্তরাজ্যে। এতে স্টারমারের নেতৃত্ব ও রাজনৈতিক অবস্থান দুর্বল হতে পারে—এমন আলোচনা চলছে। তবে তিনি পদ হারাচ্ছেন—এমন কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত বা নিশ্চিত তথ্য এখনো পাওয়া যায়নি। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রকাশিত এপস্টেইন–সংক্রান্ত বিপুল নথি, ভিডিও, ছবি ও ইমেইল নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে। এসব নথিতে বহু রাজনৈতিক ও প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। সাবেক ও বর্তমান প্রশাসনের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির নামও আলোচনায় এসেছে, যদিও তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি অপরাধের প্রমাণ মেলেনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমের একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠতার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর রাজনৈতিক অঙ্গনে চাপ বাড়ে। পরবর্তীতে তাকে রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। সাম্প্রতিক নথিতে তার বিরুদ্ধে সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের অভিযোগও উঠে এসেছে। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এপস্টেইন–সংক্রান্ত বিতর্ক দীর্ঘমেয়াদে যুক্তরাজ্যের রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে ম্যান্ডেলসনকে নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের দায় স্টারমারের ওপর বর্তালে তার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। তবে পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা নির্ভর করবে তদন্তের অগ্রগতি ও রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার ওপর।

No comments:

Post a Comment

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের

ইরানের সঙ্গে বাণিজ্যকারী দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্কের হুমকি ট্রাম্পের ইরানের সঙ্গে বাণিজ্য অব্যাহত রাখা দেশগুলোর ওপর অতিরিক্ত শুল্ক আরোপে...